দিনাজপুরের খানসামায় আমবাগান থেকে গলায় শাড়ি পেঁচানো অবস্থায় সাদেকা বেগম (৩৫) নামে এক মহিলার লাশ উদ্ধার করেছে খানসামা থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ি ইউনিয়নের সায়েদ চেয়ারম্যান পাড়া নামক এলাকা থেকে নিহত ঐ মহিলার পূর্বের স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির পাশে আমবাগান থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত ঐ মহিলা ওই এলাকার চৌরঙ্গী বাজারের ডাঙ্গাপাড়ার আব্দুস সামাদের মেয়ে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সাদেকা বেগম (৩৫) প্রায় ৯ মাস পূর্বে তার প্রথম স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে ডিভোর্স দিয়ে নীলফামারীর জেলার সদর উপজেলার দারোয়ানী নামক এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন। জানা গেছে, নিহত ঐ মহিলা প্রথম স্বামীর সংসার থাকাকালীন সময়ে ৩ টি ছেলে সন্তান জননী ছিলেন।

আজ শুক্রবার সকালে এলাকার স্হানীয় কৃষানরা ধান রোপন করার জন্য দোলায় আসলে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এবং সে খবরটি দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে তার ভাই,বোনসহ প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তাদের দাবী, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। কে বা কারা তাকে গলায় শাড়ী পেঁচিয়ে শ্বাঃসরোধ করে হত্যা করেছে।’

এ দিকে লাশ পড়ে থাকার খবর শুনে ঘটনাস্থলে শত শত মানুষ উপস্থিত হয়। তবে কি কারণে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে প্রাথমিকভাবে তা জানা সম্ভব হয়নি।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত লাশটি ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিলো।

পরে এলাকাবাসীরা থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, খানসামা থানার তদন্ত অফিসার তাওহীদ ইসলাম, উপপরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ হোসেন ও বীরগঞ্জ সার্কেল অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বলেন, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল করেছি। পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম (বাবুল) ও ইউপি সদস্য মোকছেদুল ইসলামের কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা এখন এই ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজী নই।

এ ব্যাপারে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চিত্ত রঞ্জন রায়ের বক্তব্য নেয়ার জন্য ওনার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ওনার ব্যস্ততার কারনে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।